২০ টাকা টিকেট, ঢুকলেই দেখতে পাবেন কিছু সিএনজি দাঁড়ানো, ২৫০ টাকা ভাড়ায় সোজা ৩.৪ কিমি উপরে উঠে যাবেন। নেমেই দেখতে পাবেন সহস্রধারা ঝর্ণায় নামার পথ ১০৪৮ মিটার নিচে সিঁড়ি বেয়ে নেমে যাবেন। মনে রাখবেন সাথে যথেষ্ট পরিমাণ জল রাখবেন। আর হাল্কা শুকনা জাতীয় খাবার।

সহস্রধারা ঝর্ণা নামার পথেসহস্রধারা ঝর্ণা নামার পথে

সেখানে একটু করে ঘুরে উপরে উঠে আসবেন। এবার নামার সময় পায়ে হেঁটে নামবেন। তাহলেই উপভোগ করতে পারবেন দিগন্তে পাহাড় আকাশ আর সবুজের মিলে যাওয়া।

সহস্রধারা ঝর্ণা।সহস্রধারা ঝর্ণা।

নামার পথে মাঝপথ আসলে দেখতে পাবেন সুপ্তধারা ঝর্ণা নামার পথ প্রায় ৬০০ মিটার সিঁড়ি বেয়ে নামতে হবে। তবে আপনার কষ্ট দূর হয়ে যাবে ঝর্ণার সৌন্দর্য দেখে। জোকের ব্যাপারে একটু সতর্ক থাকবেন। মনে রাখবেন এখানে কোন প্রকার ছিনতাই বা চুরি হয় না। তাই নিশ্চিন্তে পথ চলতে পারবেন।

সহস্রধারা ঝর্ণা।সহস্রধারা ঝর্ণা।

সুপ্তধারার আসল আকর্ষণ হলো এর উপরের দিকটা। ওখানে যাওয়ার পর এর পাশে একটা রাস্তা দেখতে পাবেন, না চিনলে ওখানে যারা থাকবে তাদের কে জিজ্ঞেস করলেই দেখিয়ে দিবে। ওখানে একটু কষ্ট করে উঠবেন আর বাহুবলির পাহাড়ের সিন উপভোগ করবেন।
ফেরার পথে গেইট থেকে বেড় হতেই হাতের ডান পাশে একটা খাবার হোটেল আছে। কম দামে বেশ ভালো মানের খাবার খেয়ে নিতে পারেন।

সুপ্তধারা ঝর্ণা।সুপ্তধারা ঝর্ণা।

 

সীতাকুণ্ড ইকোপার্ক।সীতাকুণ্ড ইকোপার্ক।

সুপ্তধারা।সুপ্তধারা।

সুপ্তধারা।সুপ্তধারা।

সুপ্তধারায় নামার পথে জোক হতে সাবধান।সুপ্তধারায় নামার পথে জোক হতে সাবধান।

 

শেষ বিকেলে বাড়ি ফেরার পথে। ইকো পার্কের সামনে। শেষ বিকেলে বাড়ি ফেরার পথে। ইকো পার্কের সামনে।