অভিজ্ঞতা

জোড়াসাঁকো ঠাকুর বাড়ী, কলকাতা

জোড়াসাঁকো অঞ্চলের আদি নাম ছিল মেছুয়াবাজার। ইতিহাসপ্রসিদ্ধ জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়ি ছিল বাংলার নবজাগরণের অন্যতম মুখ্য ধারক ও বাহক ঠাকুর পরিবারের ভদ্রাসন।

সাহারা মরুভূমির দেশে

রাতের তাপমাত্রা শুন্যের নীচে, সাহারাতে না গেলে হয়তো বোঝাই যেতো না খালি চোঁখে আকাশে এতো তাঁরা. মিল্কিওয়ের অস্পষ্ট রংধনু দেখা যায়। সাহারার সেই রাত শুধু মরুভূমিতেই থেকে যায়, স্মৃতি টানে বার বার।

ডাল লেকের সকাল-দুপুর-সন্ধ্যা

সে এক অভূতপূর্ব সৌন্দর্যের অনিন্দ সুন্দর রূপ দেখেছিলাম সেদিন, পুরো ডাল লেকের। সকালে এক সোনা মাখা হলুদাভ রূপ, দুপুরে সবুজে, ছায়ায় আর পানিতে সূর্যের শত রঙের খেলা আর বিকেলে শেষের সন্ধা থেকে রাতে এক অবর্ণনীয় সাঁজে সেজেছিল ডাল লেক।

জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়

কী হতে পারে বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়? সেটা কি দর্শন? নাকি জীববিদ্যা? না মহাকাশবিজ্ঞান? চিকিৎসাবিজ্ঞান? পদার্থবিদ্যা? ইতিহাস? অর্থনীতি? নৃবিজ্ঞান? আইন? ব্যবস্থাপনা? মাথার ধূসর কোষগুলোতে একের পর এক অনুরণন ঘটে গেল সেই কথা চিন্তা করতে করতে।

প্রশ্নহীন পোর্ট পরিবর্তন... (ডুয়ার্স-দার্জিলিং-৩)

দার্জিলিং যাবার পরিকল্পনার শুরুতেই যে বিষয়টি বেশ ঝামেলাপূর্ণ আর অনিশ্চয়তা তৈরি করেছিল সেটা হল, আমাদের প্রত্যেকের ভিসা করা ছিল বেনাপোল বা হরিদাসপুর থেকে।

ভুলতে গিয়ে, বাঁধনে জড়ালাম

কিন্তু তার নতুন অরণ্যের আকর্ষণ, মাধুর্য, মায়া আর আহবান আমাকে বিমোহিত করেছে। তার জলাশয় দেখে অভিভূত হয়ে গেছি।

১৬ আর ১৭ নাম্বার সিটের আক্ষেপ......!!

মোট কথা বাস দুই মিনিটের জন্য দাঁড়ালেই বাবুদা নেমে পরেন, আর কিছু কেনার উছিলায় তিনি ১৬ আর ১৭ নাম্বার সিটের দিকে এক বুক কষ্ট নিয়ে তাকিয়ে থাকেন আর মাথা চাপড়ান! ছবিটাই তার প্রমাণ!

দরিদ্র নজরুল দ্বারে

এতটাই করুণ, অবমাননাকর, অবহেলায়, অপমানে পরে রয়েছে সবকিছু। এমনকি চমৎকার একটা খোলামেলা পরিবেশে অবস্থিত প্রমীলা দেবী ও তার ছেলেদের সমাধিও ঠিক একই রকম অবহেলা আর অনাদরে পরে আছে দুরের এক স্কুল মাঠের পাশে।

চার বেড়ালের রেস্তোরাঁয়

তারাই শিল্পীদের আড্ডাকেন্দ্র হিসেবে ক্যাফেটির পত্তন করেন, এবং মূল নাম আসে প্যারিসের সেই বিখ্যাত কালো বেড়াল ক্যাফের নাম অনুকরণে।

নজরুল ও রবীন্দ্রনাথের দ্বারে (পর্ব-পাঁচ)

দেখলাম সেই তালগাছ যেটা দেখে দেখে তিনি ছোটদের জন্য লিখেছিলেন “তালগাছ এক পায়ে দাঁড়িয়ে, সব গাছ ছাড়িয়ে” দেখলাম বিখ্যাত ছাতিম তলা। যেখানে ছাতিম গাছের তলায় বসে আরাম করতেই তিনি ও তার পূর্ব পুরুষ।

নজরুল ও রবীন্দ্রনাথের দ্বারে (পর্ব-চার)

দেখেই একটা অন্য রকম ভালোলাগা ছুঁয়ে গেল যেন। সরু পিচ ঢালা রাস্তা দিয়ে হেটে চলেছি ধীরে পায়ে। আর অবাক হয়ে চারপাশটা দেখছি।

নজরুল ও রবীন্দ্রনাথের দ্বারে ( পর্ব-তিন)

সৌভাগ্য নাকি দুর্ভাগ্য জানিনা, সেদিন ছিল বুধবার আর বুধবারেই নাকি পুরো ভারতবর্ষের শান্তিনিকেতনই কেবল বন্ধ থাকে! অন্যান্য সব রবিবার।

নজরুল ও রবীন্দ্রনাথের দ্বারে (পর্ব-দুই)

কিন্তু যেই তাকে উঠতে বলছে তাকেই সে একই কথা বলে ওদের রাগ আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে! কেন যে বুঝতে পারছেনা, চুপ করে বসে থাকাই সবচেয়ে ভালো।

একজন দালাল অথবা দাদার জন্য ভালোবাসা

পুলিশের হাত থেকে আমাকে ছিনিয়ে নেয়ার দৃশ্যটা খুব মনে পড়ছে আজকে। সেলফোনে এডিট অপশনে গিয়ে ‘তপন দালাল চ্যাংড়াবান্ধা’ এডিট করে ‘তপন দাদা চ্যাংড়াবান্ধা’  করলাম।

সোনমার্গ ও কাশ্মীর আতঙ্ক......!!

শুরু হল আতঙ্কের মধ্যে রোমাঞ্চকর যাত্রা। নীরব, অন্ধকার, শুনশান রাতের আঁকাবাঁকা, পাহাড়ি উঁচুনিচু রাস্তায় নতুন এক ধরনের রোমাঞ্চ।

আলোচিত পোস্ট