জোড়াসাঁকো অঞ্চলের আদি নাম ছিল মেছুয়াবাজার। ইতিহাসপ্রসিদ্ধ জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়ি ছিল বাংলার নবজাগরণের অন্যতম মুখ্য ধারক ও বাহক ঠাকুর পরিবারের ভদ্রাসন। ঠাকুর পরিবার ছাড়াও নবজাগরণের অন্যান্য পৃষ্ঠপোষক সিংহ পরিবার (কালীপ্রসন্ন সিংহের পরিবার), পাল পরিবার (কৃষ্ণদাস পালের পরিবার), এবং দেওয়ান বানারসি ঘোষ ও চন্দ্রমোহন চট্টোপাধ্যায়ের পরিবারের ভদ্রাসনও এই অঞ্চলে অবস্থিত ছিল। এইভাবে জোড়াসাঁকো হয়ে উঠেছিল “বাংলার নবজাগরণের শিশুশয্যা।”

জোড়াসাঁকো থানা কলকাতার প্রাচীনতম থানাগুলির অন্যতম। ১৭৮৫ সালে শহরের পৌর প্রশাসন ও পুলিশ বিভাগের জন্য যে ৩১টি থানা সৃষ্টি করা হয়েছিল, জোড়াসাঁকো ছিল তার অন্যতম।

আদি ব্রাহ্মসমাজ, জোড়াসাঁকো ভারতী নাট্যসমাজ, কলিকাতা হরিভক্তিপ্রদায়িনী সভা, মিনার্ভা লাইব্রেরি, ওরিয়েন্টাল সেমিনারি প্রভৃতি ইতিহাসখ্যাত প্রতিষ্ঠানগুলি জোড়াসাঁকো অঞ্চলেই স্থাপিত হয়েছিল। ১৯২৯ সালে শিক্ষাবিদ গৌরমোহন আঢ্য প্রতিষ্ঠিত ওরিয়েন্টাল সেমিনারি ছিল কলকাতার প্রাচীনতম বেসরকারি ও প্রথম শ্রেণির শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। হিন্দুদের দ্বারা চালিত এই বিদ্যালয়ে কেবলমাত্র মধ্যবিত্ত ও নিম্ন-মধ্যবিত্ত হিন্দু ছাত্ররাই পড়াশোনার সুযোগ পেতেন।

১৯৬২ সালে জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়ি প্রাঙ্গনে কলকাতার তৃতীয় বিশ্ববিদ্যালয় রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপিত হয়। প্রথম দিকে এই বিশ্ববিদ্যালয় ছিল সঙ্গীত ও চারুকলা শিক্ষাকেন্দ্র; পরবর্তীকালে এখানে কলা ও মানবীয় বিদ্যা পঠনপাঠন শুরু হয়।

উনবিংশ শতাব্দীর বাঙালির সামাজিক ও রাজনৈতিক জীবনে এই বাড়ির বাসিন্দারা গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করেছিলেন। তার মধ্যে সবার আগে ছিলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। বর্তমানে এই বাড়িটি রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে। ১৯৬২ সালের ৮ মে, রবীন্দ্রনাথের জন্মশতবর্ষে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্বোধন করেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরু। মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের নামাঙ্কিত মহর্ষি ভবনে রবীন্দ্রনাথ শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। বাড়িটি এবং ‘বিচিত্রা’ বর্তমানে একটি মিউজিয়াম। নাম, রবীন্দ্রভারতী মিউজিয়াম।

যে জমির উপর আজকের জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়ি তথা রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয় দাঁড়িয়ে সেই জমিটি রবীন্দ্রনাথের ঠাকুরদাদা দ্বারকানাথের ঠাকুরদাদা নীলমণি ঠাকুর গৃহদেবতা লক্ষ্মীজনার্দন জিউয়ের নামে দেবোত্তর সম্পত্তি হিসাবে লাভ করেছিলেন বিশিষ্ট ধনী বৈষ্ণবচরণ শেঠের কাছ থেকে। এর পর অবস্থা আর একটু স্বচ্ছল হলে নীলমণি সেই জমিতে বিরাট এক ইমারত তোলেন।

রবীন্দ্র সরণি:-

জোড়াসাঁকো অঞ্চলটি রবীন্দ্র সরণির উপর অবস্থিত। এই ঐতিহাসিক রাস্তাটির আদিনাম চিৎপুর রোড। ১৯০৯ সালে এইচ. ই. এ. কটন এই রাস্তাটি প্রসঙ্গে লেখেন, “The great thoroughfare, which commencing in the extreme south, assumes the various names of Russa Road, Chowringhee Road, Bentick Street, Chitpore Road, and Barrackpore Trunk Road, forms a continuation of the Dum Dum Road and was the old line of communication between Morshedabad and Kalighat. It is said to occupy the site of the old road made by the Sabarna Roy Choudhurys, the old zemindars of Calcutta, from Barisha, where the junior branch resided, to Halisahar, beyond Barrackpore, which was the seat of the senior branch.” কেউ কেউ জোড়াসাঁকো সহ এই রাস্তার দুইধারের সমগ্র অঞ্চলটিকে চিৎপুর নামে অভিহিত করে থাকেন

জোড়াসাঁকো নাট্যশালা:-

জোড়াসাঁকো নাট্যশালা নামে জোড়াসাঁকোয় দুটি নাট্যশালার কথা জানা যায়। প্যারীমোহন ঘোষ তাঁর বানারসি ঘোষ স্ট্রিটস্থ বাসভবনে প্রথমটি প্রতিষ্ঠা করেন। এই নাট্যশালায় মঞ্চস্থ হওয়া একমাত্র নাটকটি ছিল উইলিয়াম শেক্সপিয়রের জুলিয়াস সিজার।

১৮৬৫ সালে গণেন্দ্রনাথ ঠাকুর পারিবারিক থিয়েটার হিসেবে দ্বিতীয় জোড়াসাঁকো নাট্যশালাটির প্রতিষ্ঠা করেন। এই বছরই এই নাট্যশালায় মাইকেল মধুসূদন দত্তের কৃষ্ণকুমারী নাটকটি অভিনীত হয়। এই নাটকে তরুণ জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুর প্রথম নাট্যাভিনয়ের সুযোগ পেয়েছিলেন। তিনি অহল্যাদেবীর চরিত্রে অভিনয় করেন। প্রথম দিকে পুরুষেরা মহিলা চরিত্রে অভিনয় করলে পরবর্তীকালে ঠাকুরবাড়ির মহিলারা আত্মীয়স্বজন ও বন্ধুবান্ধবদের সম্মুখে মঞ্চাভিনয়ে এগিয়ে আসেন। পরবর্তীকালে তাঁরা জনসমক্ষেও অভিনয় করেছেন।

সেযুগে বাংলা ভাষায় অভিনয়োপযোগী নাটকের সংখ্যা কমই ছিল। এই কারণে গণেন্দ্রনাথ একটি নাট্যরচনা প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছিলেন। রামনারায়ণ তর্কালঙ্কার রচিত নবনাটক এই প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অধিকার করে। গণেন্দ্রনাথ নাট্যকারকে ২০০ টাকা পুরস্কার স্বরূপ দেন; যা সেযুগের হিসেব অনুযায়ী ছিল মহার্ঘ্য। এছাড়াও তিনি নাটকের এক হাজার কপি প্রকাশের খরচ বহনের প্রতিশ্রুতিও দেন। অভিনয়ে অংশ নিয়েছিলেন অক্ষয় মজুমদার, সারদাপ্রসাদ গঙ্গোপাধ্যায়, জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুর প্রমুখ ব্যক্তিবর্গ।বর্তমানে জোড়াসাঁকো কলকাতার শঙ্খশিল্পের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র।যদিও এই শিল্প সাম্প্রতিককালে নানা সমস্যায় দীর্ণ।

জোড়াসাঁকো ঠাকুর বাড়িতে যা দেখবেন:-

সবুজ ছোট বড় বৃক্ষাদির শাখা-প্রশাখা আর পত্রপল্লবে ঘেরা চারদিক। তারই ফাঁকে ফাঁকে উঁকি দিচ্ছে লাল রঙের বিশাল আকৃতির একাধিক দালান। মাঝে বিশাল সবুজ চত্বর। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের দাদা প্রিন্স দ্বারাকানাথ ঠাকুর তাঁর দাদা নীলমনি ঠাকুর এই বাড়িটি প্রতিষ্ঠিত করেন। বর্তমানে পুরো এলাকাটি ‘জোড়াসাঁকো ঠাকুর বাড়ি’ নামে বিখ্যাত। প্রবেশপথের ডান দিকের একটু ভেতরে একচালা গ্যারেজে রাখা আছে কবির ব্যবহৃত গাড়ি।ভেতরে প্রবেশের পর পর শুনতে পাবেন কোথায় যেন মৃদু শব্দে সঙ্গীত বেজে চলেছে অসাধারণ পরিবেশ। প্রবেশের পর রবিঠাকুরের ব্যবহৃত জিনিসপত্রগুলো উপরতলায় বিভিন্ন ঘরে খুব সুন্দর করে সাজিয়ে রাখা হয়েছে। শুরুতেই কবিগুরুর খাবার ঘর। এরপর শয়ন কক্ষ। প্রতিটি ঘরেই রয়েছে রবিঠাকুরের স্মৃতিচিহ্ন।

কোনো কোনো ঘরে তাঁর ব্যবহৃত পোশাক, আরাম কেদারা, বইপত্র, বিলেত থেকে আনা নানা জিনিসপত্র। রয়েছে তাঁর পরিবারের সদস্যদের ছবি। একটি ঘরে রয়েছে রবিঠাকুরকে নিজ হাতে লেখা মৃণালিনী দেবীর চিঠি, তার ওপর মৃণালিনী দেবীর একটি বড় ছবি টানানো। এই ঘরেই মৃণালিনী দেবীর শেষ শয্যা পাতা হয়েছিল। এর সাথের খাবার কক্ষটিও দেখে মনে হবে কবি এখানেও খেতে খেতে গাইতেন। কারণ খাবার টেবিলের ধরনটাও সংগীত কক্ষের মতো করে সাজানো। পরের ঘরটিতে কবি শুয়ে কাটাতেন জীবনের শেষ সময়টা। ঠিক এর পাশের একটি কক্ষে কবি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছিলেন। মোট চারটি ভবনের ১৮টি গ্যালারিজুড়ে রবীন্দ্রভারতী মিউজিয়াম।

গণ্যমান্য ব্যক্তিরা এখানে এসে মজলিস বসাতেন। কবি থাকতেন মধ্যমণি। অতিথিদের সঙ্গে খোশগল্প করতে কবি খুব পছন্দ করতেন। ঘোরানো বাড়ির মাঝে উঠোন রয়েছে উদোম। ফাঁকা উঠানের দিকে তাকালে মনে হয় এই বুঝি দাস-দাসীদের নজরে পড়বে। চারপাশে ঘোরানো বারান্দা। বারান্দা ধরে অনায়াসে এক বাড়ি থেকে অন্য বাড়ি চলে যাওয়া যায়। এক-একটি বাড়িতে রয়েছে অনেকগুলি ঘর। প্রত্যেকটি ঘর বেশ প্রশস্ত। দেয়ালে টাঙানো স্মৃতিচিহ্ন ছবি শোভা পাচ্ছে। প্রত্যেক ঘরে রয়েছে ঠাকুরবাড়ির ব্যবহৃত সে সময়কার অনেক অনেক স্মৃতি। কোলকাতা মিউনিসিপালিটির দেওয়া একটি বিরাটাকার ব্রাভিয়া টেলিভিশন রাখা আছে। এখানে দেখানো হয় ঠাকুর পরিবারের ঐতিহ্য ও কয়েক পুরুষের তোলা ছবি; বিশেষ বিশেষ ঘরের ছবি ও ব্যবহৃত তৈজসপত্র। এছাড়া একটি ঘরের দেয়ালজুড়ে বড় বড় ছবি বাঁধানো রয়েছে। এখানে পর্যায়ক্রমে প্রিন্স দ্বারকানাথ থেকে রবীন্দ্রনাথের ছবি পর্যন্ত রয়েছে।

সামনের বারান্দায় একটি বিশেষ টেবিলে কাচে ঘেরা রয়েছে একটি ট্রেনের রেপ্লিকা। শান্তিনিকেতন থেকে শেষ যে ট্রেনে করে কবি জোড়াসাঁকো এসেছিলেন, সে ট্রেনটির একটি রেপ্লিকা তৈরি করে ইন্ডিয়ান রেলওয়ে জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়িতে উপহার দিয়েছে।

একটি ছোট্ট সিঁড়ি ডিঙিয়ে যেতে হয় অন্য বাড়িতে। এখানকার ঘরগুলো সব হিজিবিজিভাবে বিন্যস্ত। কোনো কোনো ঘরে চাকর-বাকররা থাকতেন। কোনো কোনো ঘরে গল্পের মজলিস বসত। কোথাও রয়েছে বুদ্ধদেবের মূর্তি। তিব্বত থেকে কবিকে দেওয়া নানা উপহার সামগ্রী। চীনা বন্ধুদের সাথে তোলা কবির অনেক ছবি। কখনো লাঠিয়ালবেশে, কখনো হাতির পিঠে, কখনো বক্সার রবীন্দ্রনাথ এবং শিকাগোর কবিদের সাথে তোলা বিভিন্ন পোজের ছবি।

জানা যায়, জাপানি নামিদামী ব্যক্তিদের উপস্থিতি উপলক্ষে ঠাকুরবাড়িতে প্রথম চা খাওয়ার বন্দোবস্ত করা হয়েছিল। সে উপলক্ষে বিশেষ আকৃতির চায়ের সরঞ্জাম তৈরি করা হয়েছিল। কাঠের চুলার পরিবর্তে দোতলাতেই কয়লার চুল্লির বিশেষ ব্যবস্থা করা হয়েছিল। সে স্মৃতি ধরে রাখতে এখনো সেখানে কৃত্রিম কয়লার আগুন, কেতলি ও কাঠের তৈরি চামচ আর কয়েকটি মগ রাখা আছে। যে বিছানায় বসে তারা সময় কাটিয়েছিলেন সেটি সংরক্ষিত করা হয়েছে বিশেষ ব্যবস্থায়। কবির সাথে তোলা সেই বিখ্যাত ব্যক্তিদের ছবি এখনো সে বিছানায় শোভা পাচ্ছে।

বাড়ির আয়তন ও কক্ষ দেখে অনায়াসে অনুমান করা যায় এ বড়িতে শ খানেক লোকেরও বেশি মানুষ বাস করতেন। বাড়ির ছাদগুলো এমনভাবে করা যেন দোতলার মানুষও ছাদের স্বাদ পান।

কবির লেখায় বা কবি-সম্পর্কিত লেখায় বার বার এই ছাদের কথা চলে এসেছে। সত্যি ছাদ যেন মনের বাড়ি। এই ছাদে অনুষ্ঠিত হয়েছে সখী সমিতি। রবীন্দ্রনাথের ‘রাজা ও রাণী’ নাটকের মঞ্চায়নও হয়েছে এই ছাদে। এ ছাদ ঘিরে বাংলা সাহিত্যে অনেক কথা অনেক গল্পের জন্ম হয়েছে। তাই হয়তো এ ছাদের একটা বিশেষত্ব রয়ে গেছে বাঙালির হৃদয়ে।

সিঁড়ি বেয়ে তিনতলায় উঠলে চোখে পড়বে একটি কক্ষ। খুব বড় নয়। এখানে প্রিন্স দ্বারকানাথের ছবি বাঁধানো আছে। এছাড়া আছে কিছু বইপত্র ও শাস্ত্রীয় বই। এ ঘরটিতে কবিমাতা সারদাদেবী তাসের আসর জমাতেন সখীদের সাথে। কখনো কখনো দাসীদের সাহায্যে শরীরের ব্যায়াম করাতেন।

এ ঘরটির ভেতর দিয়ে একটি দরজা রয়েছে। তার ওপারে মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথের কক্ষ। রবীন্দ্রনাথের ‘ছেলেবেলা’য় পাওয়া যায়, তিনতলায় বাবার ঘরে ঢুকে তিনি দরজা বন্ধ করে সময় কাটাতেন। এখানে দেবেন্দ্রনাথের কক্ষে এখনো শোভা পাচ্ছে কুচকুচে কালো একটি মজবুত খাট। খুব জমকালো না হলেও দেখলে মনে হয় আভিজাত্যের ছোঁয়া আছে। পাশে শেলফে রাখা আছে জমিদারির কিছু নথিপত্র, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র। এছাড়া শাস্ত্রীয় বই রাখা আছে। আছে দুটি বিশেষ ধরনের জলচৌকি। একটিতে মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ বসতেন, অন্যটি সামনে থাকত। এখানে বসেই তিনি উপাসনা করতেন। কখনো কখনো শাস্ত্রপাঠ করতেন।

১৯৪১-এর ৩০ জুলাই এ বাড়ীতেই কবিগুরু তাঁর শেষ কবিতা, ‘তোমার সৃষ্টির পথ’-এর ডিক্টেশন দিয়েছিলেন। এর মাত্র সাতদিন পর তিনি পাড়ি জমান না-ফেরার দেশে। ৫টায় বন্ধ হয়ে যায় ঠাকুর বাড়ির দরজা।

যেভাবে যাবেন:-
ঢাকা-কলকাতা-নিউমার্কেট থেকে ট্যাক্সিতে সরাসরি জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়ী-মেট্রো রেলে গেলে নিউমার্কেটের এসপ্লানেড স্টেশন থেকে গিরিশপার্ক স্টেশন।গিরিশপার্ক স্টেশন থেকে ৭-৮ মিনিট হাঁটলেই জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়ী।

আসুন ভ্রমণে গিয়ে আমরা যেখানে সেখানে ময়লা আবর্জনা না ফেলি, পরিবেশ রক্ষা করা আমাদের দায়িত্ব, সম্ভব হলে পড়ে থাকা চিপস, বিস্কুট এর প্যাকেট সাথে করে নিয়ে আসবো এবং নিজে ফেলবো না।