‘বিমান’ সবচেয়ে আধুনিক পরিবহনের মধ্যে একটি এবং অনেকেই এটির বৈশিষ্ট্যের ব্যবহার সম্পর্কে জানে না, এতে আশ্চর্য হবার কিছু নেই।  

আমরা আকাশ পথে ভ্রমণের জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ টিপস সংগ্রহ করেছি যা সত্যিই আপনার যাত্রাকে আরো বেশি আরামদায়ক করতে সহায়তা করবে।

জানালার পাশের সিট ঠাণ্ডা হয়

© pixabay.com  © pixabay.com

কেবিনের বাইরের তাপমাত্রা -৬০ ডিগ্রী থেকে -৬৫ ডিগ্রী সেন্টিমিটারের কম হতে পারে, যার কারণে বিমানের কাঠামোর তাপমাত্রা কমে যায়। এই বাহ্যিক ঠাণ্ডা জানালার পাশের সিটের উপর বেশি অনুভূত হতে পারে, বিশেষ করে গ্রীষ্মের সময় যখন অধিকাংশ লোক হালকা পোশাক পরিধান করে। তাই, আপনি যদি জানালা দিয়ে  বাইরের দৃশ্য উপভোগ করতে চান, তাহলে একটু উষ্ণ পোশাক পরিধান করুন।

কফি বা চা খাওয়া আপনাকে এড়িয়ে চলতে হবে

© depositphotos.com   © depositphotos.com  © depositphotos.com © depositphotos.com

খাবার পানি গরম পানীয় জলে ব্যবহৃত হয়ে থাকে যেখানে ই.কোলি এবং স্ট্যাফিলোকক্কাস অরেউসের মতো মারাত্মক ব্যাকটেরিয়া থাকতে পারে। এই ফলাফল বিশেষজ্ঞদের দ্বারা একাধিক উপলক্ষে পৌঁছেছে, যারা পরীক্ষাগারে বিভিন্ন সংস্থার বিভিন্ন ল্যাবরেটরির শর্তাবলী দ্বারা ব্যবহৃত আইটেম পরীক্ষা করেছে। তাই চা বা কফি পান করার পরিবর্তে একটি বোতলজাত পানি বা ফলের রস চাইতে পারেন।

ভাঁজ টেবিল এবং সিটের পকেট বিমানের ময়লা অংশ

© depositphotos.com  © depositphotos.com

ফ্লাইটের সময় জমে থাকা কিছু তুচ্ছ পদার্থগুলো সাধারণত আপনার সামনের আসনটির পেছনের পকেটে থাকে। দুর্ভাগ্যবশত, আপনি যতটা আশা করেন ততটুকু পরিষ্কার করা হয় না। কিন্তু ভিতরের টেবিলের অবস্থা আরো খারাপ হয়, বিমানের কেবিন ক্রু স্বীকার করে যে অনেকে প্রায়ই তাদের সন্তানদের ডায়াপার পরিবর্তন করার জন্য এটি ব্যবহার করে থাকে। তাই দৃঢ়ভাবে সুপারিশ করা হয় যে, আপনি আপনার সাথে ভিজা টিস্যু নিবেন, আপনার ব্যক্তিগত জিনিস নিজের ব্যাগে রাখবেন এবং টেবিলে সরাসরি কোন খাবার রাখবেন না।

ফ্লাইটের জন্য সেরা সময় হল সকাল

© pixabay.com  © pixabay.com

আপনার ফ্লাইটের জন্য যদি আপনার সময় নির্বাচন করার কোন সুযোগ থাকে, তাহলে ভ্রমণের জন্য সকালটা বেঁছে নেওয়া সবসময়ই একটি ভালো ধারণা। প্রথমত, এসময় বিলম্বিত হওয়ার সম্ভাবনা খুব কমই থাকে। আর আপনার যদি উড়ার সময় ভীতি থাকে, বিশেষজ্ঞরা দাবী করে যে দিনের শুরুর সময়ে তীব্রতার ডিগ্রী হ্রাস করে, তাই সকালের ফ্লাইট উত্তম।

শেষের সারিতে বসলে  ভালো সেবা পাওয়া যায় 

© depositphotos.com  © depositphotos.com

আপনি যদি বিমানের প্রথম সারিতে বসে থাকেন তবে আপনি ফ্লাইটের শেষে প্রথমবারের মতো দরজার পাশাপাশি খাবার পছন্দ করার আশা করতে পারেন। অন্যদিকে, আপনি যদি কেবিনের পিছনে শেষ সারির সিটে বসেন, তাহলে আপনি  কেবিন ক্রু থেকে আরো বেশি মনোযোগী সেবা পাবেন। এই অপ্রত্যাশিত বোনাসের ফলাফল হলো যে, শেষ সারির সিটে অতিরিক্ত খাদ্য এবং অন্যান্য জিনিস সহজে আনা যায় এবং একটি উপায়ে অন্য যাত্রীদের দ্বারা অদৃশ্য হয়ে যায়, যাতে ক্রু অতিরিক্ত অনুরোধ এড়িয়ে যেতে পারে এবং বিমান নিচে নামাতে পারে।

আপনার ঘাড়ের বালিশ সম্পূর্ণ পরিমাণ উঁচু করবেন না   

© depositphotos.com  © depositphotos.com

আপনি যখন বিমানে আপনার ঘাড়ের জন্য বালিশ নিবেন তখন পদার্থবিদ্যার নিয়ম ভুলে যাবেন না। আপনি যদি এটি সম্পূর্ণরূপে বাতাসে ভরেন তাহলে কেবিনে চাপের পরিবর্তনের কারণে এটি ফেটে যেতে পারে। তাই এটি সামান্য বিচ্ছুরিত অবস্থায় রেখে দিন।

বিশেষ মেন্যুর বিপরীতে একটি পছন্দ করুন

© crazy-traveller.ru  © crazy-traveller.ru

অনেক এয়ারলাইনস এখন বিভিন্ন ইন-ফ্লাইট খাবারের একটি পছন্দ করার প্রস্তাব দিয়ে থাকে। এখন সেখানে নিরামিষভোজী, সীফুড খাবার, হালাল এবং কোশের মেন্যু এবং আরো অনেক খাবার আছে। এমনকি আপনার যদি কোন বিশেষ পছন্দ থাকে তাহলে সেক্ষেত্রে বিশেষ খাবারের তালিকায় যাওয়ার জন্য সুপারিশ করে, যেহেতু তারা প্রায়ই স্বাদযুক্ত এবং মানসম্মতের চেয়ে বেশি বৈচিত্র্যপূর্ণ।

ব্রাইট সাইড থেকে অনুদিত।