ভ্রমণ আমার কাছে খুবই প্রিয়। সময়, সুযোগ পেলেই কোথাও না কোথাও ভ্রমনে বের হয়ে যাই| তেমনি গত জুলাই মাসে ছয়জন কলিগ মিলে হঠাৎ সিদ্ধান্ত নিলাম আগস্ট মাসের ১০ তারিখ থেকে ১৫ তারিখ এই সময়টাতে বালি ঘুরে আসা যায়| বালিতে (ইন্দোনেশিয়ায়) বাংলাদেশীদের জন্য বিনামূল্যে ৩০ দিনের জন্য অন্এরাইভাল ভিসা দেয়া হয়| তখন আমাদের মধ্যে একজন প্রস্তাব দিলো, যেহেতু মালিন্দো এয়ারে যাব তাই মালয়েশিয়ার ভিসা নিলে ২ দিন মালয়েশিয়া ঘুরে দেখা যাবে, আর বাকি ৩ দিন বালিতে কাটাব| একসাথে দুই দেশ দেখা, প্রস্তাবটা সবার কাছে ভালোই মনে হলো| সেই মোতাবেক আমরা জুলাই মাসে এয়ার টিকেট কাটলাম ও মালয়েশিয়ার ভিসা সংগ্রহ করলাম| অনলাইনের কুয়ালালামপুর ও বালিতে হোটেল বুকিং করে ফেললাম| সেই সাথে মালয়েশিয়া ও বালি ঘুরে আসা পরিচিত একজনের কাছ থেকে দুই জায়গার দুইজন ড্রাইভারের ফোন নম্বর সংগ্রহ করে, ড্রাইভারের সাথে কথা বলে গাড়িও বুকিং করলাম|

চমৎকার স্বচ্ছ জলরাশিচমৎকার স্বচ্ছ জলরাশি

১০ আগস্ট দিবাগত রাত ১২:৫০এ (১১ আগস্ট)  মালিন্দো এয়ারে ঢাকা থেকে রওনা দিলাম| স্থানীয় সময় ভোর আনুমানিক ভোর সাড়ে ছয়টার সময় কুয়ালালামপুর পৌঁছালাম| ইমিগ্রেশনের আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে এয়ারপোর্টের টেক্সিপার্কিং এ গিয়ে দেখি ড্রাইভার বড় একটি মাইক্রোবাস (টয়োটা গ্রান্ড কেবিন) নিয়ে দাড়িয়ে আছে| এখানে বলে রাখি, যেহেতু আমাদের হাতে সময় কম ছিলো তাই আমরা এয়ারপোর্ট থেকেই ঘুরাঘুরি শুরু করা ও এই ২দিন কুয়ালালামপুর ও পুত্রাজায়া ঘুরার পরিকল্পনা নিয়েছি|

বাতুকেভবাতুকেভ

পরিকল্পনা মোতাবেক আমরা যাত্রা শুরু করলাম বাতুকেভ নামক একটি জনপ্রিয় টুরিস্ট স্পটের দিকে| স্থানীয় সময় সকাল ৮:৩০ এ আমরা সেখানে পৌঁছিয়েই, একটা সাউথ ইন্ডিয়ান রেস্টুরেন্টে ব্রেকফাস্ট সেরে জায়গাটা দেখতে বের হলাম| বাতুকেভে রয়েছে একটা বিশাল শিবমূর্তি, তার পিছনে একটা সুউচ্চ সিঁড়ি রয়েছে পাহাড়ে উঠার জন্য, যা বেয়ে উপরে উঠে দেখি অপরূপ সুন্দর বিশাল পাহাড়ি গুহা| এর ভিতরে রয়েছে রংবেরঙের কৃত্রিম লাইটিং, যা গুহার সৌন্দর্যকে আরো বৃদ্ধি করেছে| এরপর আমরা রওনা দিলাম টেম্পলারপার্ক ওয়াটার ফল দেখার জন্য| সুন্দর পাহাড়ি ও বড় একটা ঝরনা দেখে আমরা বিমোহিত| অনেক গুলো বানর ও পাখির দেখা মিললো সেখানে| ওই দিন ছিল শুক্রবার, তাই ঝর্ণা দেখে ফেরার পথে নিকটবর্তী একটি আবাসিক এলাকার মসজিদে জুমার নামাজ আদায় করলাম|

নামাজ শেষে আমরা রওনা দিলাম ইস্তানা নিগার বা রাজার বাড়ি দেখার উদ্দেশ্যে| পথিমধ্যে আমাদের ড্রাইভার মোবারক সাহেব ফুয়েল নেয়ার জন্য একটা পেট্রলপাম্পে গাড়ি থামালো| পেট্রলপাম্পের পাশের একটা রেস্টুরেন্টে আমরা দুপুরের খাওয়া সেরে নিলাম| ইস্তানা নিগার পাহাড়ের উপর অবস্থিত অপরূপ সুন্দর মালোয়েশিয়ার রাজার বাড়ি| সেখান থেকে টুইন টাওয়ার, কুয়ালালামপুর টাওয়ার সহ কুয়ালাম্পুর শহর  দেখা যায়| ইস্তানা নিগারার সৌন্দর্য দেখে আমরা রওনা দিলাম কুয়ালালামপুরের বিখ্যাত চকোলেট মলের উদ্দেশ্যে| চকোলেট মলে গিয়ে ফ্রি চকোলেটের স্বাদ চেখে নিলাম এবং অনেকগুলো চকোলেট কিনলাম| সেখানে আশপাশে আরো কয়েকটা দোকান ঘুরে দেখলাম|

ভ্রমণেভ্রমণে

তারপর আমরা মালয়েশিয়ার জাতীয় মসজিদ দেখে রওনা দিলাম ন্যাশনাল মনুমেন্ট দেখার জন্য| ন্যাশনাল মনুমেন্ট মালয়েশিয়ার স্বাধীনতা স্মৃতিসৌধ| খুব সুন্দর জায়গা এটি| তারপর আমরা রওনা দিলাম দিনের আলোর মধ্যে টুইন টাওয়ার দেখার উদ্দেশ্যে| সন্ধ্যার কিছু আগে ট্রাফিক জ্যাম ঠেলে টুইন টাওয়ারের পাদদেশে পৌছালাম| বিমোহিত হলাম এর সৌন্দর্যে| ঠিক সন্ধ্যায় আমরা পৌঁছলাম আমাদের হোটেলে| আনুষ্ঠানিকতা শেষে রুমে গিয়ে আরো অভিভূত হলাম আমাদের রুমের জানালা দিয়ে দেখা রাতের রঙ্গিন টুইন টাওয়ার ও কুয়ালালামপুর টাওয়ার দেখে| রুমে গিয়ে ফ্রেশ হয়ে বের হলাম শপিং এর উদ্দেশ্যে| টাইম স্কয়ার, বুকিত বিনতাং এ শপিং, খাওয়া দাওয়া ও রাতের বেলা আরেকবার টুইন টাওয়ার দেখে শেষে হোটেলে ফিরলাম রাত ১ টার দিকে|

টুইন টাওয়ারটুইন টাওয়ার

সকালে ঘুম থেকে উঠে ফ্রেশ হয়ে কমপ্লিমেন্টারি ব্রেকফাস্ট করে হোটেল থেকে চেক আউট করলাম| তার আগেই ড্রাইভার মোবারক গাড়ি নিয়ে হাজির| পরিকল্পনা মোতাবেক রওনা দিলাম চায়না টাউন মার্কেটের উদ্দেশ্যে| চায়না টাউন মার্কেটের সামনে সুন্দর একটা লাল রঙের মন্দির| মন্দিরের ভেতরটা দেখা শেষ করে, প্রবেশ করলাম মার্কেটে| সবাই যার যার প্রয়োজনীয় কেনাকাটা শেষ করে রওনা দিলাম পুত্রজায়ার উদ্দেশ্যে| মালয়েশিয়ার সুরম্য, সুউচ্চ ভবন, সুন্দর রাস্তা ও পরিকল্পিত শহর দেখতে দেখতে পৌঁছে গেলাম পুত্রজায়ায়|

সৌন্দর্যে বিমোহিতসৌন্দর্যে বিমোহিত

শুরুতেই চোখে পড়লো একটা সুন্দর ঝুলন্ত ব্রিজ| চমৎকার সুন্দর, গুছানো একটা শহর পুত্রাজায়া| যার সৌন্দর্যে বিমোহিত হলাম সবাই| বড়ো বড়ো বিভিন্ন সরকারি ভবন, আন্তর্জাতিক সম্মেলন হল, অনিন্দ্য সুন্দর পুত্রাজায়া মসজিদ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় দেখে ও স্বচ্ছ পানির একটা নদীতে রিভার ক্রুজে চড়ে মনটা চনমনে হয়ে উঠলো| পুত্রজায়ার শপিং মলে ঘুরাঘুরি, কেনাকাটা ও খাওয়াদাওয়া শেষে রওনা দিলাম এয়ারপোর্টের উদ্দেশ্যে| ওইদিন বিকেলে আমাদের বালির ফ্লাইট| পুত্রাজায়া থেকে ৩৫ মিনিটে পৌঁছে গেলাম এয়ারপোর্টে| এয়ারপোর্টে ইমিগ্রশনের আনুষ্ঠানিকতা শেষে বাতিক এয়ারের একটি ফ্লাইটে করে রওনা দিলাম বালির উদ্দেশ্যে|

বালিবালি

কুয়ালালামপুর এয়ারপোর্ট থেকে বিমানে উঠার কিছুক্ষন পর নিচে দেখা যায় জাভা সাগর| বিশ্বে সবচেয়ে জনপ্রিয় পর্যটনস্থান হিসেবে ইন্দোনেশিয়ার বালি দ্বীপের নাম ঘোষণা করেছে বিশ্বের বৃহত্তম ভ্রমণ সাইট ট্রিপ অ্যাডভাইজার। বালি ইন্দোনেশিয়ার একটি দ্বীপ এলাকা ও প্রদেশ। বালি ও তার আশেপাশের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র দ্বীপমালা নুসা পেনিদা, নুসা লেমবনগান ও নুসা সেনিনগান নিয়ে প্রদেশ গঠিত হয়েছে। এর রাজধানী দেনপাসার দ্বীপের দক্ষিণাঞ্চলে অবস্থিত। পর্যটন শহর বালি দ্বীপের মানুষ পর্যটকদের স্বাগত জানাতে আন্তরিক।  তিন ঘন্টার জার্নি শেষে আমরা সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় পৌঁছালাম দেনপাসার এয়ারপোর্টে| ছোট্ট একটি বিমানবন্দর কিন্তু টুরিস্টদের জন্য রয়েছে সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা। ইমিগ্রেশন, কাস্টমস আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে অপেক্ষমান গাড়িতে করে চলে এলাম হোটেলে| হোটেলে ফ্রেশ হয়ে বের হলাম রাতের খাবার খাওয়ার জন্য| একটা রেস্টুরেন্টে রাতের খাওয়া শেষ করে হাল্কা একটু ঘুরে চলে এলাম হোটেলে|

বালিতে প্রথমদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে ফ্রেশ হয়ে হোটেলের কমপ্লিমেন্টারি ব্রেকফাস্ট সারতে সারতেই ড্রাইভার মি. গেদে বুধিয়ানা গাড়ি নিয়ে হাজির| গাড়িতে উঠে আমরা পরিকল্পনা মোতাবেক উবুদ মাঙ্কি ফরেস্ট দেখতে ছুটে চললাম| ইন্দোনেশিয়া মুসলিম অধ্যুষিত হলেও, একমাত্র বালি দ্বীপের ৮০ ভাগ মানুষ হিন্দু। তাই বালিতে ঘুরার সময় অনেক মন্দির দেখা যায়। রাস্তার দু’ধারে বড় বড় আর্ট গ্যালারিতে আঁকা ছবি, কাঠ ও পাথরের ভাস্কর্যের সম্ভার, অসংখ্য বুটিক হোটেল, ইউরোপীয় খানার রেস্তোরাঁ দেখতে দেখতে আমরা পৌঁছে গেলাম মাঙ্কি ফরেস্ট। হাজার হাজার বানর আর ঘন বৃক্ষরাজির মনভুলানো বনাঞ্চল দেখলাম।তার পর ধীরে ধীরে আমাদের গাড়ি এগিয়ে চললো রাইচ টেরেসের (পাহাড়ে খাঁজ কাটা ধান ক্ষেত) দিকে। ধানখেত দেখা শেষ করে পাহাড়ি পথ ধরে অপরূপ কমলা বাগানের পাশ দিয়ে আমাদের গাড়ি পৌঁছে গেল কিন্তামনি, প্রায় ১৫০০ মিটার উচ্চতায়।

সেখান থেকে মাউন্ট বাটুর ও লেক বাটুর দৃশ্য অতি মনোরম। মাউন্ট বাটুর এক ঘুমন্ত আগ্নেয়গিরি, ১৮০০ সাল থেকে ২৪ বার তার ঘুম ভেঙেছে, অগ্ন্যুৎপাতে হয়েছে সে অশান্ত! শেষ অগ্ন্যুৎপাত হয় ১৯৭০ সালে। দেখতে পেলাম পাহাড়ের কোল বেয়ে অনেকটা জায়গা জুড়ে জমে যাওয়া লাভা। মাউন্ট বাটুরের পাদদেশে লেক বাটুর বালির সবচেয়ে বড় প্রাকৃতিক হ্রদ। পাহাড় ও লেকের শোভা আরও ভাল ভাবে আস্বাদনের জন্য একটি ছোট টিলার মাথায় এক রেস্তোরাঁয় গিয়ে বসলাম। সেখানেই সারলাম মধ্যাহ্ন ভোজন।সেখান থেকে আমরা রওনা দিলাম টেগানুগান নামক এক বিশাল সু উচ্চ পাহাড়ি ঝরনা দেখতে| ঝরণার বিমুগ্ধ রুপদেখে ফেরার পথে একটি কাঠের কারুকর্ম তৈরির একটি কারখানায় অনেকগুলো শিল্পকর্ম দেখলাম।তারপর সন্ধ্যায় ফিরে এসে আমরা লেগিয়ান স্ট্রিট থেকে হাল্কা শপিং করে রাতের খাবার খেয়ে হোটেলে ফিরে আসলাম|

ভ্রমণে আমরাভ্রমণে আমরা

দ্বিতীয়দিন আমরা পরিকল্পনামতো রওনা করলাম নুসা লেমবনগান আইল্যান্ডের উদ্দেশ্যে| এই আইল্যান্ড ভ্রমণটি ছিল একটি প্যাকেজ ট্যুর| ড্রাইভার আমাদেরকে প্রথমে নিয়ে গেলো সানুর বীচে| সেখান থেকে ৪০ জন ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন একটি বড়ো স্পিড বোটে করে ৩০ মিনিটের নীল জলরাশির সমুদ্র ভ্রমণের মাধ্যমে আমরা পৌঁছে গেলাম নুসা লেমবনগান আইল্যান্ডের জুঙ্গুত বাটু বীচে| অপূর্ব সুন্দর একটা আইল্যান্ড| এই আইল্যান্ড ভ্রমণ না করলে বালি ভ্রমণ হয়তো পূর্ণতা পেতো না| বোট থেকে নামার পর পিছন খোলা একটা মিনি গাড়িতে করে সাগর পাড়ের একটা রেস্টুরেন্টে নামানোর সাথে সাথেই পেলাম ওয়েলকাম ড্রিংস| তারপর এখানে আমরা রোমাঞ্চ ও মনোমুগদ্ধকর সী-ওয়াক, স্নোরকেলিং, বানানা বোট রাইড, ম্যানগ্রোভ ট্যুর সম্পন্ন করে রেস্টুরেন্টে ফিরে লাঞ্চ শেষ করে আবার গাড়িতে করে ছুটলাম নুসা লেমবনগান দ্বীপ ও নুসা সেনিনগান দ্বীপ সংযোগকারী চমৎকার ইয়েলোও ব্রিজ দেখতে| সেখান থেকে আমরা আবার ছুটলাম ডেভিল’স টিয়ার ও ড্রিম বীচ দেখতে| ডেভিল’স টিয়ার- যা আমার সবচেয়ে ভালো লেগেছিলো, আর ড্রিম বীচের সৌন্দর্য ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়| ড্রিম বীচের পানিতে গোসল করার লোভ সামলাতে পারলাম না| সেখান থেকে গেলাম এই দ্বীপের প্যানারোমা ভিউ স্পটে, প্যানারোমা ভিউ দেখে আবার ফিরে এলাম জুঙ্গুত বাটু বীচে| বিকেল ৫ টায় আমরা আবার বালির উদ্দেশ্যে ফিরে আসার জন্য রওনা দিলাম| সন্ধ্যায় ফিরে এসে আমরা লেগিয়ান স্ট্রিট থেকে হাল্কা শপিং করে রাতের খাবার খেয়ে হোটেলে ফিরে আসলাম|

তৃতীয় ও শেষ দিন আমরা সকালে রওনা করলাম তানাহ লটের উদ্দেশ্যে| সাগরের মাঝে একটা মন্দির বা সমুদ্রে ভাসমান মন্দির। ডেনপাসার থেকে ৩০ কিলোমিটার পশ্চিমে বালির দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূলে হিন্দু জলদেবতা বরুণ বন্দনার মন্দির। তীর থেকে অল্প দূরে এক ছোট্ট দ্বীপে এই মন্দির। ভাঁটার সময় সমুদ্রের জল যায় সরে, হেঁটে পৌঁছনো যায় মন্দির চত্বরে। এর পাশেই রয়েছে অপূর্ব সুন্দর নেচারাল ব্রিজ| এরপর আমরা ছুটতে শুরু করলাম নুসাদুয়া বীচের উদ্দেশ্যে| বালির সবগুলো বীচের মতো নুসাদুয়াও নীল জলরাশির সৈকত| এখানে রয়েছে প্যারাসেইলিং, ডাইভ, সী-ওয়াক, ওয়াটার স্কুটার, স্নোরকেলিং, বানানা বোট রাইড সহ সবধরনের সমুদ্র কেন্দ্রিক বিনোদনের ব্যবস্থা| দুপুরে গ্রিলড টুনা ফিশ দিয়ে লাঞ্চ সারলাম নুসাদুয়ায়| খুবই সুস্বাদু ছিলো সেই টুনা ফিশের স্বাদ| বিকেলে নুসাদুয়া থেকে ফিরে আসলাম হোটেলে|

এদিন রাতের ১১ টায় ছিলো আমাদের ফিরতি ফ্লাইট | ২ ঘন্টা আগে এয়ারপোর্টে পৌঁছাতে হবে| তাছাড়া বালির রাস্তায় অনেক ট্রাফিক জ্যাম, তবে কোনো বিশৃঙ্খলা নাই| তাই কিছুটা সময় হাতে নিয়েই এয়ারপোর্টের উদ্দেশ্যে রওনা দিলাম| বড় তাড়াতাড়িই যেন শেষ হল আমাদের বালি-ভ্রমণ। এ বার ঘরে ফেরার পালা। বালির অনন্য সুন্দর মুহূর্তগুলোর জন্য সৃষ্টিকর্তাকে ধন্যবাদ। আপনারাও সময় ও সুযোগ পেলে ঘুরে আসুন|

 

লেখকসহকারী মহাব্যবস্থাপক, এইচ আর এন্ড এডমিন, ক্রাউন সিমেন্ট গ্রুপ