বিসৃ্তত সবুজ মাঠ। দূরে ঘন সবুজ গাছের সারি। তাজা বাতাসে সতেজ হয়ে ওঠে মন। স্বচ্ছ বিলের পানি আর পাশেই তুরাগ নদী। জায়গাটির নাম ভাদুন গ্রাম।

ভাদুন গ্রামের পথেভাদুন গ্রামের পথে

ভাদুন গ্রামের পথেভাদুন গ্রামের পথে

শুধু গ্রাম বললে ভুল বলা হবে। যেন পুরো গ্রামটিকে কোনো মালি সাজিয়ে রেখেছে বাগানের মতো। নানা রকম বনজ ফুল, লতাপাতা, তালগাছ, নারকেলগাছ যা বর্ণনা দিয়ে শেষ করা যাবে না।

ভাদুন গ্রামের পথেভাদুন গ্রামের পথে

ভাদুন গ্রামের পথেভাদুন গ্রামের পথে

ঢাকার মত ইট পাথরের দেয়ালে বন্দী জীবনে থেকে যখন হাফিয়ে উঠছিলাম তখনই ফোন আসলো ঈসমাইল ভাই এর। আজকে দুপুরে বসে দুইজনই ভেরান্ডা ভাজছি তো চলেন যাই নগরী ছেড়ে দূরে কোথাও। চিকুনগুনিয়া যারে টলাতে পারে নাই তারে টলাবে কে। দুই ভাই মিলে চলে গেলাম উদ্দ্যেশহীন পথে।

ভাদুন গ্রামের পথেভাদুন গ্রামের পথে

ভাদুন গ্রামের পথেভাদুন গ্রামের পথে

এয়ারপোর্ট আশকোনা থেকে অটোরিকশায় কাচকুড়া বাজার অথবা কসাইবাড়ী ও আশকোনা থেকে দক্ষিন খান সেখান থেকে অটোরিকশায় কাচকুড়া। কাচকুড়া থেকে ইঞ্জিনচালিত বোটে নদীর ওপারেই হরদিবাজার। এখান থেকেই ভাদুন গ্রামের শুরু। আমরা অবশ্য গ্রাম দেখেই ক্ষেমা দেই নাই সেখান থেকে চলে গিয়েছিলাম ১৩ মুখ রাইদা ব্রিজ