অভিজ্ঞতা

অ্যান আমেরিকান ড্রিম- ৪

আমেরিকার সঙ্গীতে ঘুম ভাঙ্গে, মেঘ, বাতাস আর গাছের সরসর ঘিরে রাখে আমাদের রোদেলা দিন থেকে। প্রাতরাশের টেবিলে আজ মার্ক টোয়েনের বাড়ি যাবো নাকি ওয়াল্ট হুইটম্যানের

অ্যান আমেরিকান ড্রিম - ৩

জনাব ট্রাম্প এই কুইন্স এলাকাতেই বেড়ে উঠতে উঠতে বখে গিয়েছিলেন। জানা গেল এই অঞ্চলের বিশাল অংশের জমির মালিক তার পরিবার, মানে বাপ-দাদার আমল থেকে।

কানাডার সবচেয়ে পুরোনো চায়ের দোকান - লেক আগ্নেস টি হাউস

এটি প্রথম বানানো হয় ১৯০১ সালে হাইকার দের আশ্রয় দেবার জন্য | ১৯০৫ সাল থেকে চা পরিবেশন করা হয় |

অ্যান আমেরিকান ড্রিম - ২

সারা মার্কিনমুলুকে সবচেয়ে বেশী জাতের মানুষ থাকে নিউইয়র্ক স্টেটে, আবার সেখানের মধ্যে সবচেয়ে বেশি জাতির মানুষ রঙচঙে খিচুড়ি হয়ে থাকে 'কুইন্স'এ। সেখানের পাব্লিক বাসে উঠলেই মনে হয়, ' এ তো ভ্রাম্যমাণ মানব চিড়িয়াখানা!'

অ্যান আমেরিকান ড্রিম – ২৭

অতি বিস্ময়কর এই জগত, এখানে আমরা মানুষেরা ক্ষণিকের অতিথি মাত্র! সেই বিস্ময়বোধকে সঙ্গে নিয়ে তারা যেন হাজার হাজার বছর টিকে থাকেন সেই কামনা করে আবার পথে আমরা।

অ্যান আমেরিকান ড্রিম - ১

চাকরি না করে ছুটিতে আছি, পৃথিবী দেখার চেষ্টা করছি। পাখিদের নিয়ে পরিবেশ রক্ষার কিছু কাজ করি, কিন্তু সেগুলো স্বেচ্ছাসেবী কাজ।

কেরালা-এক ভিন্ন ভারতের গল্প

শপিং এর যায়গা আছে কিন্তু অতি আধুনিক নয়, রেস্তরা আছে কিন্তু অভিজাত নয়, মানুষ আছে কিন্তু ব্যাস্ততা নেই, ছেলে মেয়েদের আড্ডা আছে, কিন্তু সাধারন মানের। এখানে সবকিছু পুরনো, বনেদী, ধীর স্থির আর ঐতিহাসিক। কোচিন শহর তার সবটুকু পুরনো ঐতিহ্য যেন ধরে রেখেছে।

প্রসঙ্গঃ মেইল ট্রেন

এখন অন লাইন ট্রাভেল গ্রুপের কল্যানে মেইল ট্রেনের বগী দখল হচ্ছে, জায়গা পাচ্ছে না খেটে খাওয়া শ্রমজীবি মানুষরা। বগী দখল করেও ক্ষেমা দিচ্ছে না তারা। সারা রাত হই চই করে পাশের যাত্রীদের করছে পেরেশান।

মন মাতানো মুন্নারে (পর্ব-দুই)

অবাক বিস্ময়ে আমাদের সময় সেদিন থমকে গিয়েছিল, সবুজের এমন ঢেউ দেখে, চা বাগানের এই অপরূপ শেড দেখে, সবুজের ঢেউকে আকাশের সীমানায় পৌঁছে যেতে দেখে, সবুজের মাঝে হলুদের অপরূপ নান্দনিকতা দেখে!

মন মাতানো মুন্নারে (পর্ব-এক)

খুব সকালের সদ্য গজানো চায়ের পাতায় যখন সূর্যের প্রথম আলো পরে তখন চা বাগান ঠিক সবুজ দেখায়না। তখন চা বাগান এক অন্যরূপ ধারন করে, চা বাগান এক অন্য সাঁজে নিজেকে সাঁজায়, একটা অন্য রকম মাধুরী নিয়ে প্রকৃতির মাঝে আলাদা হয়ে থাকে।

পাইছেন ট্যুরিষ্ট, কামাইয়া লন! (পর্ব- পাঁচ)

আমরা প্রতিযোগিতা করছি কে কত বড় স্থাপনা গড়তে পারি, কে কতটা পাহাড় কেটে নিজের করে নিতে পারি, কে কোন অরন্য ধংস করে রিসোর্ট বানাতে পারি, কে ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে বীচে ধংস করে সমুদ্রের কতটা কাছে নিজেদের সুউচ্চ স্থাপনা তৈরি করে টুরিস্ট ধইরা, কামাইয়া লইতে পারি এসবের।

আই স্টারটেড কলিং বাংলাদেশ আ রেইনবো কান্ট্রিঃ মিনার চোখে বাংলাদেশ

এত বৈচিত্র্য এই দেশে- যা হয়ত আমাদের প্রতিদিনের অভ্যস্ততায় নজর এড়িয়ে যায়, মিনার লেখা গুলো সেই বৈচিত্র্যকেই নির্দেশ করে নান্দনিক ভাষার আশ্রয়ে।

ট্রাভেলিং টু সুন্দরবন: একটি সফল ট্যুরের আদ্যোপান্ত

একটু পর জানা গেলো- ‘বরযাত্রী’ যাচ্ছে খুলনা। তারা সবাই মিলে ৪০ জন। আমাদের মধ্যে ফরিদ একটু বেশি ছেলেমানুষী টাইপের। ও তো বরকে ধরে নিয়ে আসলো আমাদের মাঝে। তারপর বরকে মাঝখানে রেখে শুরু করে দিলো সেলফি তোলা।

কেরালা ভ্রমণঃ চকলেট-চা-কফি ও মশলার শহর মুন্নারে

কি ঝলমলে এক একটা দোকান, চায়ের ফ্যাক্টরি আউটলেট, কফির বিক্রির দোকান, চকলেটের নানা রকম দোকান আর ভিন্ন রকম চকলেটের বিকিকিনি। এক একটা দোকানে ঢুকি আর চা, কফি, চকলেটের গন্ধে প্রান ভরে যায়।

কেরালা ভ্রমণঃ মোহময় মুন্নারের পথে...

হুট করেই বেশ ঠাণ্ডা লাগায় মোবাইলের স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে দেখি দুপুরের ৩৭ ডিগ্রী তাপমাত্রা কখন যেন কমে ১৭ তে চলে এসেছে! মানে উত্তপ্ত গরম থেকে তিন ঘণ্টার মধ্যে শীতের দেশে চলে এসেছি!

আলোচিত পোস্ট


অ্যান আমেরিকান ড্রিম- ৪

অ্যান আমেরিকান ড্রিম- ৪

শনিবার, আগস্ট ১১, ২০১৮

অ্যান আমেরিকান ড্রিম - ৩
অ্যান আমেরিকান ড্রিম - ১

অ্যান আমেরিকান ড্রিম - ১

মঙ্গলবার, জুলাই ৩১, ২০১৮

বিচিত্র যত গুল্ম (পর্ব-২)